Posts

কোটা প্রসঙ্গ

কোটার পক্ষে বিপক্ষে অংশগ্রহণকারীদের ডাকাত টাইপের ভায়োলেন্স দেখে অবাক ও হতাশ হয়েছি অনেক।

অামাদের দেশের মানুষের মানসিকতা এতটা নিঁচে যে নেমে গেছে, এর আগে বুঝি নাই।

অান্দোলনকারীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগ নামধারীদের অাক্রমন; ভিসির বাড়িতে আন্দোলনকারীদের হামলা-ডাকাতি, ছাত্রলীগ নেত্রীর বস্ত্রহরণের চেষ্টা; এসব দেখে বাংলাদেশের বর্তমান ছাত্র সমাজের মানসিকতা, মেধার প্রয়োগ বুঝতে পারা যায়।

দিনকে দিন আমরা বর্বর হচ্ছি।
পাকিস্তানের দাস-প্রেত্মাতা বিএনপি-জামাত-হেফাজত চক্রের শক্তি বৃদ্ধি করছে বাংলাদেশের মানুষই।

জীবনে তিনটি অান্দোলনে সক্রিয়ভাবে ছিলাম।
মইন ইউ-এর সামরিক ছায়া সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র অান্দোলন, চবি ক্যাম্পাসকে শিবির মুক্ত করার অান্দোলন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণজাগরণ।
কোন অান্দোলনেই অামরা নিজেদের বিবেক বিসর্জন দিইনি।
কিন্তু এখন আন্দোলনের নামে পক্ষে-বিপক্ষে যা হয়, তা শুধু নোংরামি, বর্বরতা।

আন্দোলনের পক্ষের লোকেদের একেক পর এক প্রোপাগান্ডা (গুলিতে ছাত্র নিহত, মোরশেদার পায়ের রগ কাটা) ছড়ানোর স্টাইলটা একেবারে গোয়েবলসীয়।
সারা পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে, অামরা পিছিয়ে গত শতাব্দীর ত্রিশ-চল্লিশের দশকে ফিরে…

বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে চীনের ভূমিকা ও ভাসানীর দায়

Image
বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে সংশ্লিষ্টগুলো ফ্যাক্টরগুলো বিশ্লেষণ করলে এটি সুস্পষ্ট যে, এই নৃশংস ঘটনাটি ছিল পাকিস্তান-আমেরিকা-সৌদিআরব-চীন এবং দেশীয় দালাল ও স্বার্থান্বেষীদের একটি কূটপরিকল্পনার পরিণতি।
মুক্তিযুদ্ধের সময় চীনের ভূমিকা ছিল বাংলাদেশের বিরোধী। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আলো নিভিয়ে দিতে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় মিত্রের একটি ছিল চীন। পাকিস্তানকে সমরাস্ত্র ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ, জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন, বাংলাদেশের চীনাপন্থীদের একটি বড় অংশকে পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধে সম্পৃক্ত করা, অপর অংশকে মুক্তিযোদ্ধা হত্যায় নিযুক্ত করা তথা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানকে সর্বাত্মক সহায়তা করেছিল চীন।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জিয়াউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা এবং খুনিদের পুর্নবাসন

Image
বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা ছিল বহুমাত্রিক। পাকিস্তান, আমেরিকা, চীন, সৌদি আরব, জামাত, মুসলিম লীগ, বাংলাদেশের পাকিস্তানপন্থী অংশ এবং উচ্চবিলাসী সামরিক ও রাজনৈতিক কর্তাব্যাক্তিরা এই গর্হিত ঘটনায় সর্ম্পৃক্ত ছিল। প্রত্যেকের ছিল ভিন্ন ভিন্ন এজেন্ডা কিন্তু লক্ষ্য ছিল একটি- বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে স্বার্থ উদ্ধার হবে, এমন কাউকে বাংলাদেশের সরকারে প্রতিস্থাপন করা। আর এবিষয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের প্রধান পছন্দ ছিল জিয়াউর রহমান।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডঃ বিস্তৃত ষড়যন্ত্র

Image
বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড হঠাৎ করে সংঘটিত কোন ঘটনা নয়। দীর্ঘসময়ের পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের ফলাফল এই গর্হিত ঘটনা। এটি ভাবা ভুল হবে যে, গুটিকয় সামরিক অফিসারের ক্ষোভের কারনে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছিল। এই ভয়ংকর ঘটনায় দেশীয় ষড়যন্ত্রী যেমন জড়িত ছিল, তেমনি ছিল বিদেশী সুবিধাভোগী। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ছিল পাকিস্তান, আমেরিকা, চীন, সৌদি আরব এবং দেশীয় সুবিধাভোগী, পাকিস্তানপন্থী ও আওয়ামীলীগ বিরোধীদের সম্মিলিত একটি ষড়যন্ত্রের ফলশ্রুতি। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে পাকিস্তানের উদ্দেশ্য ছিল প্রতিশোধ ও তাঁবেদারী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা; আমেরিকা, চীন ও সৌদি আরবের স্বার্থ ছিল বৈশ্বিক রাজনীতি অংশ; আর দেশীয় দালাল- মুশতাক গং, ফারুক-রশীদ-ডালিম গং, অাওয়ামীলীগ বিরোধী ও পাকিস্তানপন্থীদের স্বার্থ ছিল নিজেদের ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করা।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডঃ মাশুল দিচ্ছে বাংলাদেশ

Image
১৫ আগস্ট, ১৯৭৫; সেদিন ছিল শুক্রবার। বাঙালির ইতিহাসের কালোতম একটি দিন। বিশ্বাসঘাতকতার বলি হলেন বাঙালির একমাত্র জাতি-রাষ্ট্রের জনক ও তাঁর পরিবার। রক্তাক্ত হয়েছিল ধানমন্ডি ৩২; ৫৫ বছর বয়সী বঙ্গবন্ধুর নিথর দেহ সিঁড়িতে পড়েছিল। বাঙালিকে ভালোবাসা-ই হয়েছিল তাঁর কাল।

আন্তজার্তিক সংবাদমাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড

Image
বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর সেসময় বিশ্ব গণমাধ্যমে তা প্রধানতম একটি রিপোর্ট হিসেবে প্রকাশিত হয়। কারন, এই হত্যাকান্ড ছিল বৈশ্বিক রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, স্নায়ুযুদ্ধের অংশ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন ছিল স্নায়ুযুদ্ধের সেই উত্তাল সময়ে রক্তাক্ত ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা আর এর পেছনে মূল কারিগর ছিলেন বঙ্গবন্ধু। গণমাধ্যমগুলো বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের এই ভয়ংকর ঘটনার বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছিল।

বেতারে বঙ্গবন্ধুর খুনিরা

Image
১৯৭৫।
ভোর রাত সাড়ে চারটার দিকে শাহবাগের বাংলাদেশ বেতার অফিসের বাইরে গুলির শব্দ পাওয়া যায়।

রাত ২ টায় বেতারের সেদিনকার অনুষ্ঠান শেষ করে রাতের সেশনে উপস্থিত ছিলেন বেতার প্রকৌশলী শিফট ইনচার্জ প্রণব চন্দ্র রায়, যিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাক্ষী।
কিছু সময়পর সামরিক বাহিনীর লোকেরা বেতার অফিসে প্রবেশ করে। ঢুকেই তারা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের নিরস্ত্র করে।